ভূমিকম্পঃ আপনার করণীয়

কোনো রকম পূর্বাভাস ছাড়াই হঠাৎ ভূপৃষ্ঠ কেঁপে ওঠাকে ভূমিকম্প বলে। মাত্র কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে এই কাঁপুনি ছড়িয়ে পড়ে দূর-দূরান্তে। ভূমিকম্পের বিস্তৃতিকে পানির ঢেউয়ের সঙ্গে তুলনা করা যেতে পারে। স্থীর পুকুরের পানিতে ঢিল ছুড়ে দিলে নিক্ষিপ্ত স্থানের চারপাশে পানির ঢেউ যেভাবে ছড়িয়ে পড়ে, ভূমিকম্পও উৎপত্তিস্থল থেকে ঠিক সেভাবে ছড়িয়ে যায়। আর এ ঘটনা ঘটে মাত্র কয়েক সেকেন্ডের ব্যাবধানে। কম্পনের মাত্রা অনেক বেশি হলে মালামালের ক্ষয়ক্ষতি এবং প্রাণনাশ হতে পারে। তবে ভূমিকম্পের মাত্রা সহনীয় থাকলে কোনো রকম ক্ষয়ক্ষতি ছাড়া প্রাণে বেঁচে যাওয়া সম্ভব। অথচ এমন পরিস্থিতিতেও অনেকে ভয়ে দিশেহারা হয়ে এদিক ওদিক ছোটাছুটি করে। উচু তলা থেকে লাফ দিয়ে প্রাণ বাঁচাতে চায় অথবা দৌড়ে নিচে পালায়। এতেই তারা বেশি বিপদ ডেকে আনেন। কারণ ভূমিকম্পের সামান্য ওই সময়ে দৌড়ে প্রাণ বাঁচানো সম্ভব নয়। তবে এমন সময়ে নিজেকে রক্ষা করার জন্য কিছু জরুরি ব্যবস্থা নেয়া যেতে পারে। যা আপনাকে হঠাৎ ভূমিকম্পের সময় সাহায্য করবে।
* ভূমিকম্পের প্রথম ঝাঁকুনির সঙ্গে সঙ্গে খোলা জায়গায় আশ্রয় নিন।
* ঘরে হেলমেট থাকলে মাথায় পরে নিন, অন্যদেরও পরতে বলুন।
* ঘর থেকে বের হওয়ার সময় সম্ভব হলে আশপাশের সবাইকে বের হয়ে যেতে বলুন।
* দ্রুত বৈদ্যুতিক ও গ্যাসের সুইচ বন্ধ করে দিন।
* কোনো কিছু সঙ্গে নেওয়ার জন্য অযথা সময় নষ্ট করবেন না।
* যদি ঘর থেকে বের হওয়া না যায়, সে ক্ষেত্রে ইটের গাঁথুনি দেওয়া পাকা ঘর হলে ঘরের কোণে এবং কলাম ও বিমের তৈরি ভবন হলে কলামের গোড়ায় আশ্রয় নিন।
* আধাপাকা বা টিন দিয়ে তৈরি ঘর থেকে বের হতে না পারলে শক্ত খাট বা চৌকির নিচে আশ্রয় নিন।
* ভূমিকম্প রাতে হলে কিংবা দ্রুত বের হতে না পারলে সজাগ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আশ্রয় নিন ঘরের কোণে, কলামের গোড়ায় অথবা শক্ত খাট বা টেবিলের নিচে।
* গাড়িতে থাকলে যথাসম্ভব নিরাপদ স্থানে থাকুন। কখনো সেতুর ওপর গাড়ি থামাবেন না।
* এ সময় লিফট ব্যবহার করবেন না।
* যদি বহুতল বাড়ির ওপরের দিকে কোনো তলায় আটকা পড়েন, বেরিয়ে আসার কোনো পথই না থাকে, তবে সাহস হারাবেন না। ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করুন। ভেবে দেখুন, উদ্ধারকারী পর্যন্ত আপনার চিৎকার পৌছাবে কি না।
* বিম, দেয়াল, কংক্রিটের ছাদ ইত্যাদির মধ্যে আপনার শরীরের কোনো অংশ চাপা পড়লে, বের হওয়ার সুযোগ যদি না-ই থাকে, তবে বেশি নড়াচড়া করবেন না। এতে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হতে পারে।
* ধ্বংসস্তূপে আটকে গেলে সাহস হারাবেন না। যেকোনো উত্তেজনা ও ভয় আপনার জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।
সতর্কতা ও সচেতনতা
* ভূমিকম্প সম্পর্কে সঠিক ধারণা নিন।
* এর ঝুকি ও করণীয় সম্পর্কে অবহিত থাকতে হবে।
* ভূমিকম্পের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলা করতে সার্বক্ষণিক প্রস্তুতি থাকতে হবে।
* এলাকাভিত্তিক স্বেচ্ছাসেবক দল গড়ে তুলতে হবে।
* ভূমিকম্পে আহতদের জন্য জরুরি চিকিৎসাসেবার ব্যবস্থা করতে হবে।
* বিভিন্ন প্রশিক্ষণ, সভা, সেমিনার এবং গণমাধ্যমের সাহায্যে জনগণের সচেতনতা বাড়াতে হবে।
* বাড়ি বানানোর প্রকৌশলী, এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি, বাড়ির মালিক ও মেরামতের সঙ্গে জড়িত লোকদের যথাযথ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে।
* ভূমিকম্প প্রকৌশল কোর্স চালু করা দরকার।
* স্কুল, হাসপাতাল ও দমকলের মতো অত্যাবশ্যকীয় প্রতিষ্ঠানের গঠন সুচারুভাবে করা উচিত।
* গৃহীত পরিকল্পনার বাস্তবায়ন করতে হবে।
* বাড়ি ও অন্যান্য স্থাপনা নির্মাণ আইন অনুযায়ী তৈরি করলে দুর্যোগ মোকাবিলা করা সম্ভব।
* বাড়ি বানানোর সময় অবশ্যই তীব্রতা-সহনশীল করে তৈরি করতে হবে। আমরা না বুঝে ম্যাগনেচুড বা মাত্রা-সহনশীল তৈরি করে থাকি, যা ঠিক নয়। তীব্রতা-সহনশীল পদ্ধতি ভূমিকম্পের ক্ষয়ক্ষতির ব্যাপকতা নির্দেশ করে। ভূমিকম্প হয়ে যাওয়ার পরপরই এটি মাপা হয়। ভূমিকম্পের ব্যাপকতা বোঝাতে ভয়াবহ, প্রচণ্ড, মাঝারি, মৃদু ইত্যাদি বিশেষণ ব্যবহার করা হয়।

Microsoft এক্সেল ২০০৭, ২০১০, ২০১৩, ২০১৬ এর পূর্ণ টিউটোরিয়েল বইটি সংগ্রহ করুন এখনই। এক্সেল শিখার সেরা বই।

অফিস ও ব্যক্তিগতজীবন সব ক্ষেত্রেই এক্সেল এক গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখছে। অফিসের প্রায় সব কাজই করা হয় মাইক্রোসফট এক্সেলের মাধ্যমে। তাই একটা ভাল চাকরি পেতে মাইক্রোসফট এক্সেল শিখার বিকল্প নেই। আজকে আমি যে বইটি শেয়ার করব তা দিয়ে Microsoft এক্সেল ২০০৭, ২০১০, ২০১৩, ২০১৬ এর যাবতীয় কাজ করার চিত্রসহ পদ্ধতি আলোচনা করা হয়েছে।
বইটি ডাউনলোড করতে নিচের লিংকে ক্লিক করুনঃ
Download link
Excel Complete Tutorial
যারা বই পড়তে ভালবাসেন তারা একবার বইয়ের রাজ্যে ঘুরে আসতে এখানে Bangla Ebooks Download
ক্লিক করুন। এখানে সব ধরনের বই পাবেন বিনামূল্যে পিডিএফ আকারে। সহজ ও দ্রুত ডাউনলোড লিংকসহ

কয়লার বদলে ময়লা থেকে বিদ্যুৎ?

মল-মূত্র, পয়ঃ-প্রণালী, এ সবের কথা উঠলে আর যা-ই মনে পড়ুক – নিজের মোবাইল ফোনের ব্যাটারি চার্জ করার কথা মনে করেন কি কেউ? কিন্তু লাইপসিগের বিজ্ঞানীরা ঠিক তাই নিয়েই গবেষণা চালাচ্ছেন৷
লাইপসিগের হেল্মহলট্স পরিবেশ গবেষণা কেন্দ্রের একটি শৌচাগার৷ এই খাটা পায়খানায় যা জমা হয়, তা লাগে গবেষণার কাজে৷ গবেষণা প্রতিষ্ঠানটির নাম ইনস্টিটিউট ফর এনভায়রনমেন্টাল মাইক্রোবায়োলজি৷ বিজ্ঞানীরা পরীক্ষা করে দেখছেন, ইলেক্ট্রোঅ্যাকটিভ ব্যাকটেরিয়া দিয়ে মল থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব কিনা৷
এক্সপেরিমেন্টের আগে স্যাম্পল নিতে হয়৷ লাইপজিগের জার্মান বায়োমাস গবেষণা কেন্দ্রের গবেষক ইয়র্গ ক্রেট্সমার জানালেন, ‘‘গোড়ায় একটু ঘেন্না হতো বৈকি; কিন্তু দু-তিনবার করার পর অভ্যেস হয়ে যায়৷ আমরা এটাকে বলি সাবস্ট্রেট, এক্সপেরিমেন্টে যা কাজে লাগে৷ আমাদের সহকর্মীরা নিয়মিতভাবে এই পায়খানা ব্যবহার করেন, ফলে আমরা পর্যাপ্ত সাবস্ট্রেট পাই৷''
মানুষের মলে প্রধানত জল, খাবার-দাবারের যে অংশ হজম হয়নি, সে' অংশ, ‘রাফেজ' বা ডায়েটারি ফাইবার, স্নেহজাতীয় পদার্থ ও স্বভাবতই জীবাণু থাকে৷ এই সব জীবাণুরা ভাসা সব পদার্থ থেকে পুষ্টি সংগ্রহ করে৷ সেক্ষেত্রে কিছু কিছু জীবাণু বিদ্যুৎ উৎপাদন করে৷
বিশেষ বিশেষ জীবাণু যে
বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পারে, সেটা একশ বছরের বেশি সময় ধরে জানা৷ গত শতাব্দীর ষাটের দশকে নাসা মহাশূন্যে জীবাণুর মাধ্যমে প্রস্রাব থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করার চেষ্টা করেছিল৷ এ জন্য জীবাণুদের ইলেকট্রন নিঃসরণ করার ক্ষমতা থাকা চাই৷ হেল্মহলট্স পরিবেশ গবেষণা কেন্দ্রের ড. ফাল্ক হার্নিশ বললেন, ‘‘জীবাণুরা সর্বত্রই আছে, যেমন পাকস্থলী কিংবা মলে, যে কারণে খাটা পায়খানাতেও জীবাণুরা থাকে৷ কিন্তু এই জীবাণুগুলোর বিশেষত্ব হলো এই যে, তারা নিজের অভ্যন্তর থেকে ইলেকট্রন বার করে তা কোষের ঝিল্লির মাধ্যমে বাইরে পাঠাতে পারে৷''
‘মাত্র কয়েক মিলিঅ্যাম্পিয়ার বিদ্যুৎ'
জীবাণুগুলো যে সব ইলেকট্রন ছাড়ে, সেগুলোকে একটি ইলেক্ট্রোডে ধরা হয়৷ জীবাণুরা ভাসা পদার্থ খেয়ে ফেলে, অর্থাৎ বর্জ্য অপসারণ করে পানি পরিশোধন করে; অপরদিকে তারা ইলেকট্রন ছাড়ে, অর্থাৎ বিদ্যুৎ উৎপাদন করে৷ এভাবে যে বিদ্যুৎ তৈরি হয়, তা পরিমাণে খুব কম হলেও, ল্যাবরেটরিতে তার পরিমাপ করা যায়৷
বায়ো-ইলেকট্রো-কেমিস্ট ড. ফাল্ক হার্নিশ বলেন, ‘‘বর্তমানে আমরা মাত্র কয়েক মিলিঅ্যাম্পিয়ার বিদ্যুৎ তৈরি করতে পারি৷ কিন্তু বাইরে যে শৌচাগার দেখেছেন, তার কথা ভাবলে বলতে হয়, আমরা একটা মোবাইল টেলিফোনের ব্যাটারি ১২ ঘণ্টার মধ্যে রি-চার্জ করে দিতে পারি৷''
নেগেটিভ চার্জ যুক্ত ইলেকট্রনগুলো পজিটিভ চার্জ যুক্ত ইলেক্ট্রোডের দ্বারা আকৃষ্ট হয়৷ এর থেকে যে কারেন্ট বা বিদ্যুৎপ্রবাহ সৃষ্টি হয়, তা মোবাইল ফোন চার্জ করে; মাইনাস পোলে তৈরি হয় জল৷ জীবাণুরা আরো ভাসা পদার্থ খাওয়ার ফলে জল ক্রমেই আরো পরিষ্কার হয়ে ওঠে৷ জীবাণুরা এইভাবে বিদ্যুৎ সৃষ্টি করলে একে বলা হয় একটি মাইক্রোবিয়াল ফুয়েল সেল – অর্থাৎ জীবাণু-পরিচালিত-জ্বালানি-কোষ৷ এটা যাতে অপেক্ষাকৃত অনুন্নত দেশেও সম্ভব হয়, সেজন্য লাইপসিগের বিজ্ঞানীরা এই সংক্রান্ত প্রযুক্তিকে যতদূর সম্ভব সহজ রেখেছেন৷
ড. ফাল্ক হার্নিশ জানালেন, ‘‘আমাদের প্রযুক্তির বিশেষত্ব হলো এই যে, আমরা করোগেটেড কার্ডবোর্ড থেকে ইলেক্ট্রোড তৈরি করি, এখানে যেমন দেখছেন৷ অর্থাৎ বাজারে যেরকম পিচবোর্ড পাওয়া যায়, তা নিলেই চলে৷ পরে তা কাঠকয়লার মতো বাতাসশূন্য অবস্থায় পোড়ালেই ইলেক্ট্রোডের পদার্থ পাওয়া যায়৷ একটা কম খরচের লো-টেক পণ্য৷''
জীবাণু-পরিচালিত-জ্বালানি-কোষের কথা ভাবলে পয়ঃপদার্থ সম্পর্কে ধারণাই পাল্টে যায়৷ কেননা এই কোষ পয়ঃপদার্থ থেকে জ্বালানি সৃষ্টি করে এবং পানিকে পরিশুদ্ধ করে – শুধু শৌচাগারেই নয়, বড় বড় সিউয়েজ ওয়ার্কস-এও বটে৷

পড়ালেখায় মনোযোগ আনতে করণীয়

পড়তে বসতে ইচ্ছা করে না। এটা সবারই একটা সাধারণ সমস্যা। কিন্তু ইচ্ছা না করলেও পরীক্ষা তো দিতে হবেই। তা থেকে রেহাই কারও নেই। আপনি যদি এমন কোনো রোগী হয়ে থাকেন যে আপনার পড়তে বসতে একেবারেই ইচ্ছা করছে না। এসময় পড়ায় মন বসাতে যা যা করবেন।
১. লক্ষ্য ঠিক করুন :
আপনার লক্ষ্য নিশ্চয়ই ঠিক করাই আছে। সেক্ষেত্রে আপনি আপনার লক্ষ্যটিকে মনে করে আবার ঝালাই করুন। আপনি চাইছেন এবারের পরীক্ষায় যে করেই হোক একটা আকাঙ্খিত পয়েন্টে নিয়ে যাবেন আপনার রেজাল্ট। এই লক্ষ্যে মটাকে একটু নিবিষ্ট করুন। দেখবেন আপনার মাঝে একটা জিদের উদ্ভব হয়েছে এবং আপনি আবারো পড়ায় মন দিতে পারছেন।
২. ক্ষুধা নিবারণ করুন :
এমন অনেক সময় দেখা গেছে যে অতিরিক্ত ক্ষুধা লাগলে আর পড়তে মন চায় না। এমনিতেই পড়তে বসলে একটু পর পর ক্ষুধা লাগে। এ ভালোভাবে খেয়াল করে দেখুন আপনার ক্ষুধা লেগেছে কিনা। যদি ক্ষুধা লেগে থাকে তাহলে তা নিবারণ করার চেষ্টা করুন। অর্থাৎ পর্যাপ্ত পরিমাণে আহার করে আবার পড়তে বসুন। দেখবেন এবার আপনার পড়ায় মন বসেছে।
৩. সময় সচেতন হোন :
নির্দিষ্ট মানুষের জন্য নির্দিষ্ট কিছু সময় রয়েছে যে সময়ে পড়া খুব দ্রুত আয়ত্বে আসে। যেমন কেউ অনেক ভোরে পড়েন, কেউ সারাদিন পড়েন. কেউ আবার অনেক রাতে পড়েন। আপনার কোন সময়টাতে পড়া হয় সে সময়ে পড়তে বসুন। প্রয়োজনে একটা রুটিন তৈরি করে নিতে পারেন। যে সময়ে পড়া হয় না সে সময়ে অযথা পড়তে বসে এ্যানার্জি নষ্ট না করে ঘুমিয়ে ব্রেনটাকে বিশ্রাম দিন।
৪. গান শুনুন :
গান শুনতে সবারই অনেক ভালো লাগে বিশেষ করে পরীক্ষার সময়ে। যদি এমন হয়ে থাকে যে আপনি হয়ত অনেকক্ষণ ধরে পড়ছেন কিন্তু এমন একটা সময় উপস্থিত যখন আর পড়া মাথায় ঢুকছে না। এমতাবস্থায় আপনি কিছুক্ষণের জন্য গান শুনতে পারেন। এর ফলে আপনি মানসিকভাবে প্রশান্তি পাবেন এবং দেখবেন পড়ায় পুনরায় মনোযোগ ফিরে এসেছে।
৫. ঘুমিয়ে নিন :
অনেকক্ষণ ধরে পড়লে মস্তিষ্কে অনেক চাপ পড়ে। ফলে মস্তিষ্ক আর কাজ করতে পারে না। এক্ষেত্রে আপনি যদি কিছুটা সময় ঘুমিয়ে নেন তাহলে ব্রেনের রিফ্রেশমেন্ট হবে। এর ফলে খুব দ্রুত আবার পড়া ক্যাচ করতে পারবে আপনার ব্রেন। এজন্য অতিরিক্ত চাপ কমাতে অবশ্যই কিছুটা ঘুমিয়ে নিন।
৬. মিষ্টি জাতীয় খাবার খান :
মিষ্টি জাতীয় খাবার দেহে যাওয়া মাত্র সারা শরীরকে সতেজ করে তোলে। এছাড়া ব্রেনের কাজ করার ক্ষমতা বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।
৭. মেডিটেশন করুন :
মেডিটেশন মন ও শরীর দুইই প্রাণবন্ত করে তোলে। মেডিটেশনের ফলে শরীরের ক্লান্তি দূর হয় এবং কাজ করা ক্ষমতা বেড়ে যায়। এছাড়া মেডিটেশনের ফলে ব্রেন এর রিফ্রেশমেন্ট ঘটে। ফলে পড়া খুব দ্রুত মুখস্ত হয়ে যায় এবং তা বহুক্ষণ

মৌখিক পরীক্ষার্থীর ত্রুটি (ডিফেন্স গাইড)

পরীক্ষার্থীর ত্রুটি
আসসালামু আলাইকুম সবাইকে শুভেচ্ছা জানিয়ে আজকের টিউন লেখা শুরু করতেছি। আশা করি সবাই ভালো আছেন। আমি ও ভাল আছি।
অনেক সময় দেখা যায় পরীক্ষার্থী কতগুলো ভুল বা ত্রুটি করে থাকেন। এসব ত্রুটি তার অকৃতকার্যতার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তো চলুন দেখা যাক যে সকল ত্রুটির কারণে আমরা অকৃতকার্য হয়ে থাকি-
১. সাক্ষাৎকার কক্ষে প্রবেশ ও বিদায় নেয়ার সময় সালাম না দেয়া।
২. নিজেকে জাহির করার মত আচরণ করা।
৩. আঙ্গুলের নখ দাঁত দিয়ে কাটা।
৪. যে কোন জিনিস নিয়ে খেলতে থাকা।
৫. পরীক্ষকগণকে প্রশ্ন করার সময় বাধা প্রদান করা।
৬. না জেনেও উত্তর জানার ভান করা।
৭. অবিবেচকের মত কথা বলা।
৮.‘এই ধরনের ’ ‘আপনি’ কিংবা ‘আমি’ ইত্যাদি অনর্গল বলতে থাকা।
৯. পরীক্ষকগণের প্রতি না তাকান।
১০. প্রশ্নকর্তাকে অবহেলা করা।
১১. মুখে কোন কিছু নিয়ে চিবান।
১২. নিজেকে অত্যন্ত চঞ্চল দেখান।
১৩. না থেমে অনবরত কথা বলা।
১৪. পরীক্ষকের প্রতি অত্যন্ত আক্রমণ প্রবণতা প্রকাশ করা।
১৫. লোক দেখান পোশাক পরিচ্ছদ পরিধান করা।
১৬. পোশাক বা স্বাস্থ্যের প্রতি উদাসীন থাকা।
১৭. হাতের ইশারায় বক্তব্য পেশ করা বা হাত নেড়েচেড়ে বক্তব্য দেয়া।
১৮. মুখ অপরিষ্কার রাখা এবং মুখ থেকে দুগন্ধ বের হওয়া।
১৯. এদিক-সেদিক তাকান।
২০. প্রশ্নের উত্তর দিতে বেশি সময় নেয়া।
২১. অবিরত পা নাড়াচাড়া করা।
২২. টেবিলের উপর হাত দিয়ে হিজিবিজি দাগকাটা।
২৩. অপরিষ্কার বা ইস্ত্রীবিহীন কাপড় পরা।
২৪. শার্টের বোতাম খোলা থাকা বা বুক দেখা যাওয়া।
২৫. চুল এলোমেলো রাখা এবং কপালের উপর চুল ঝুলে থাকা।
২৬. অযৌক্তিক এবং অশোভনভাবে নিজের যোগ্যতাকে প্রমাণ করার চেষ্টা করা।
২৭. না জেনে ভুল উত্তর দেয়া এবং তা নিয়ে তর্ক করা।

বাংলাদেশের বাজারে ভিভানকো

গত ২১ এপ্রিল রাজধানীর চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে জাঁকজমকপূর্ন বর্ণিল গ্রান্ড লঞ্চিং অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের বাজারে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করল নেটওয়ার্কিং পণ্যের বিশ্বখ্যাত জার্মান ব্র্যান্ড ‘ভিভানকো’।
‘ভিভানকো’র উদ্যোগে আয়োজিত উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ এর অতিরিক্ত সচিব সুশান্ত কুমার সাহা।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ভিভানকো এশিয়া হেড কোয়ার্টার এর প্রেসিডেন্ট তান জিয়াও গান, ইন্টারন্যাশনাল মার্কেটিং ডিরেক্টর এন্ডি রু, টেকনিক্যাল সাপোর্ট ইঞ্জিনিয়ার এরিক পেং, বাংলাদেশ কান্ট্রি ডিরেক্টর মো: আবু সায়েম, রিজিওনাল ম্যানেজার প্রিয়াঙ্কা পল এবং স্মার্ট টেকনোলজিস (বিডি) লিঃ এর পক্ষে ব্যাবস্থাপনা পরিচালক মোঃ জহিরুল ইসলাম, বিক্রয় মহাব্যবস্থাপক জাফর আহমেদ, বিপনন মহাব্যবস্থাপক মুজাহিদ আল বেরুনী সুজন, কর্পোরেট মহাব্যবস্থাপক হাসান ফাহিম, এন্টারপ্রাইজ ব্যবসায়ের মহাব্যবস্থাপক শাহেদ কামাল এবং ভিভানকো বিজনেস হেড শেখ আলমগীর সহ প্রতিষ্ঠানটির উর্ধতন কর্মকর্তাবৃন্দ।
অনুষ্ঠানে ভিভানকোর পক্ষ থেকে স্মার্ট টেকনোলজিস (বিডি) লিঃ কে বাংলাদেশের এক্সক্লুসিভ ডিস্ট্রিবিউটর হিসেবে ঘোষনা দেয়া হয়। ভিভানকো প্রেসিডেন্ট বলেন, “নেটওয়ার্কিং এক্সেসরীজ পন্যে সারাবিশ্বের সবচেয়ে গুনগত মানের পন্য প্রস্তুত করে থাকে ভিভানকো। আমরা আশা করছি, স্মার্ট টেকনোলজিস এর মাধ্যমে বাংলাদেশের বাজারে আইটি অবকাঠামো নির্মানে ভিভানকো গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে।”
অনুষ্ঠানে মোঃ জহিরুল ইসলাম বলেন, “এখন থেকে স্মার্ট টেকনোলজিস এর কাছে ভিভানকো ব্রান্ড এর সব ধরনের কপার ক্যাবল, ফাইবার ক্যাবল, র্যাক, প্যাচকর্ড, মডুূলার জ্যাক, কানেক্টর, প্যাচ প্যানেল সহ এবং অন্যান্য এক্সেসরীজ পাওয়া যাবে। আমরা আশা করছি, যারা গুনগতমানের নেটওয়ার্কিং পন্য দিয়ে অফিসের নেটওয়ার্কিং এর কাজ করতে চান, তাদের চাহিদা বিশেষভাবে পূরন করতে সক্ষম হবে ভিভানকো’র পন্যগুলো।”

সিম রেজিস্ট্রেশনের পাশাপাশি মোবাইল ফোনের আইএমই ডাটাবেইজ তৈরি করা হবে: তারানা হালিম

সিম রেজিস্ট্রেশনের পাশাপাশি মোবাইল ফোনের আইএমই ডাটাবেইজ তৈরি করা হবে: তারানা হালিম
সিম রেজিস্ট্রেশনের পাশাপাশি মোবাইল ফোনের আইএমই ডাটাবেইজ তৈরি করা হবে বলে জানিয়েছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম। শনিবার রাজধানিতে এক সেমিনারে এ কথা বলেন তিনি। বাড়িতি কর আরোপের ফলে দেশে টেলিকম শিল্প প্রতিষ্ঠার বদলে অবৈধ হ্যান্ড সেটের প্রসার হওয়ায় সরকার এ উদ্যোগ নেবে বলে জানান তিনি।
ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠনে স্মার্ট ফোনের ভূমিকা নিয়ে টেলিকম খাতের রিপোর্টারদের সংগঠন, টিআরএনবির সেমিনার। শুরুতেই দু বছর আগে দেশে টেলিফোন হ্যান্ডসেট উৎপাদন উৎসাহিত করতে আমদানিতে সরকারের ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ কি ভাবে ক্ষতির কারণ হয়ে তা তুলে ধরেণ ব্যবসায়ীরা।
আধুনিক হ্যান্ডসেট না থাকায় থ্রিজি নেটওয়ার্ক অনেক যায়গায় কাজে আসছে না বলেও জানান মোবাইল ফোন অপারেটররা।
প্রতিমন্ত্রীর মতে অবৈধ সব হ্যান্ডসেট এই মুহুর্তে বাতিল করে দিলে ক্ষতির মুখে পড়বে সাধারণ মানুষ। তাই সরকার আগে ডাটাবেইজ করতে চায়।
বিটিআরসির জনবল বাড়ানোর পাশাপাশি বিদ্যমান জনবলকে সততার সঙ্গে কাজ করারও আহবান জানান তারানা হালিম।

Kalai Upazila Under Joypurhat District has been connected with the SASEC Information Highway project.

Here high technological equipment has been delivered to serve the people and take them to the high technology digital world.

What Upazila information and service center is?



Upazila Information and Services Centres (UISC) are newly established one-stop service outlets operating at all 28 Upazila Parishads of the country.

Why It Was Necessary ?

Kalai Upozila information service Center’s have enabled citizens to easily and cost effectively access livelihood information and services that affect their daily lives. Today, a farmer in a remote location can learn about appropriate fertilizer and pesticide use

The Services of Kalai Upozila service Center.

The Services of Kalai Upozila service Center.

 

Kalai Upazila Under Joypurhat District has been connected with the SASEC Information Highway project.

Here high technological equipment has been delivered to serve the people and take them to the high technology digital world.

National e-Totthokosh

E-information cell (infokosh.bangladesh.gov.bd) has been launched at the national
level under A2I project to ensure availability of information

Services through Mobile Phones Apart

Apart from making calls, mobile phones
are being used for providing various
services and information. Teledensity is
one of the indicators of development of a
country. There are about 70 million
mobile phone users in

District Information Window and Website

District Information Windows have been
launched from the Deputy Commissioner’s
offices of 64 districts to
provide various
information and services (for example, the
web address of Jessore district’s infowindow
is www.dcjessore.gov.bd).

District E-service Centre for all the Services of District Administration

For providing all the services available from District Administration easily and in a
corruption- free manner, a District E-service Centre have been established at Deputy
Commissioner’s Office in Jessore on experimental basis
in last October. E-service
centre is just like a one stop service centre, where people will go to a designated
counter for any of the services and will receive

SMS for Sugarcane Farmers - Purji

Purji is the approval letter for purchasing
sugarcane from sugarcane farmers.
E-purji is
sending the purji information to the farmers by
using information technology.

Use of Information and Communication Technology in Education : Digital Contents in Multimedia Classroom

For improving the quality of education
through application of ICT and for increasing
the institutional efficiency of the teachers
under new system, a quick–win programme
(easily implementable initiatives) program has
been introduced. Under this initiative, with
ICT-enabled Teachers

Potentials, Challenges and Ways to Overcome

The concept of ‘Digital Bangladesh’ has raised an expectation to the nation
especially to the youth community. Now the challenge is to take it forward to final
destination. Significant development has taken place in terms of infrastructural
development of information technology following the implementation of a wide range of
programmes by the present government. Nevertheless, there is a scope of further
development in this area. There is no doubt that the cheap labour-forces and the
promising youths constitute an attractive important element to

About 40 km away from Dhaka, a Hi-tech park will be established at Kaliakoir of Gazipur District

About 40 km away from Dhaka, a Hi-tech park will be established at Kaliakoir of Gazipur District,
on 232 acres of unused land of Talibabad satellite centre.
Objectives of Hi-tech park:
(a) To augment foreign investment in the country by attracting
international organisations for establishing export-oriented industries
through the creation of an excellent investment environment.

regional information network was established among 4 South Asian nations, namely, Bangladesh, Nepal, Bhutan and India through South Asian Sub Regional Economic Cooperation (SASEC) in order to ensure broadband information communication,

A regional information network was established among 4 South Asian
nations, namely, Bangladesh, Nepal, Bhutan and India through South Asian
Sub Regional Economic Cooperation (SASEC) in order to ensure broadband
information communication, exchange information related knowledge and
access to ICT in inaccessible areas. With a view to enhancing the prevailing
regional connectivity, activities in the second phase are underway. In this
process, South Asian Sub Regional Economic Cooperation (SASEC)
Information Highway will be established at a cost of Tk. 29.40 crore.
Internal connectivity

Bangladesh has been providing bandwidth services since being connected to the Information Super Highway via submarine cable

Bangladesh has been providing bandwidth services since being connected to
the Information Super Highway via submarine cable through SEA-ME-WE-
4 (South East Asia-Middle East-West Europe 4) consortium. The present
internet bandwidth is 44.60 Gigabytes per second (Gbps).

Determination of Strategic Priorities of Digital Bangladesh (2011-15)

Strategic priorities have been worked out in order to achieve the results towards
establishing Digital Bangladesh. This will include activities like determining immediate
priorities, formulation of projects and their implementations. In the strategy paper priority
has been given to education, agriculture, health, justice,

Challenges in Public Service Delivery

Delivery of services to the citizens by the government is fraught with
inefficiencies and lack of transparency in a developing country like Bangladesh.
Other significant challenges that the Government of Bangladesh faces in delivering
services to the public include the following:
a. The current government service delivery channels find it very difficult to
reach transportation facilities.

Ensuring access to the Digital Bangladesh for all citizens, poor or rich, literate or illiterate, urban or rural is another foundation stone of Digital Bangladesh

Ensuring access to the Digital Bangladesh for all citizens, poor or rich, literate
or illiterate, urban or rural is another foundation stone of Digital Bangladesh key objective of this component is to find a sustainable channel so that people can
benefit from all that the Digital Bangladesh would offer in a manner that s/he
could easily use and afford.

WAY FORWARD: DIGITAL BANGLADESH 2021

The current government of Bangladesh, which took office in January, 2009
following an unprecedented popular support in the December 2008 election, had
made eGovernance and eService delivery a central focus in its election manifesto
termed’A Charter for Change'. In this charter, Digital Bangladesh is a central
feature of the vision 2021. The charter specifically mentions’Administrative reform,
right to information and eGovernance will be introduced' thus linking

Ministry of Science and ICT and Bangladesh Computer Council

The Ministry of Science and Information & Communication Technology
(MoSICT) is promoting Science and Technology as stewardship of positive change
in society and for balanced socio-economic enhancement and national well-being.
The main function of MoSICT is to support attainment of overall socio-economic
development of the country through research, development, extension and
successful utilization of science and technology including information and
communication technology.

eGovernance Cell at Prime Minister's Office

In the World Summit on Information Society (WSIS), it was decided that a
knowledge-based society would be developed throughout the world by 2015, which
is in line with the government's decision of building a digital Bangladesh by 2021.
The government is now more prudent in taking steps towards their vision of
achieving a digital Bangladesh.

National ICT Taskforce

Information and Communication Technology (ICT) Task Force had been
constituted with the Honorable Prime Minister as its convener and Secretary,
Planning Division as its member secretary to make decision on ICT related
activities. In the election manifesto Awam
i League affirmed to revive the ICT Task
Force formed during their last term and it is in the process of being reconstituted
as of August, 2009. The ICT taskforce may initiate the p

National ID Database

The national voters’ database by the Election Commission Secretariat is one of
the largest personnel databases in
the world containing over 80 million voters’
information. This database will now be used to

eGovernance Interoperability Framework

The government agencies must have interoperability standards to follow when
developing their databases, Management Information Systems (MIS), Websites and
Information Portals. The eGovernance Interoperability framework will help the
government agencies avoid situations where systems developed within the
government are mutually incompatible and hence inherently wasteful.

Right to Information Act 2009 has been effected in Bangladesh on April, 2009.

Right to Information Act 2009 has been effected in Bangladesh on April, 2009.
According to the act, the government and other institutions using public funds will
have to provide people with necessary information within 20 days of applying for
it. If any official refuses to provide information, anybody can file appeals with the
National Information Commission. The official concerned, if found guilty, may be
penalized from 50 Taka for every day of delay, but the total sum shall not exceed
5,000 Taka.

ICT Act 2009

The ICT Act 2009, passed in the Parliament, will allow online financial
transactions, digital signatures, dispute resolution for electronic transactions, and
law against cyber crime, among others. The passing of this act was made possible
through facilitating the legal and logistical

National ICT Policy 2009

The revised ICT Policy 2009 has incorporated new policy directions in line with
the ever changing technological advancements in this area. The most remarkable
changes that have been made in the revised National ICT Policy 2009 are (1) a
methodical framework of the policy document

The Government of Bangladesh provides good policy support for growth of software and ITES sector

The Government of Bangladesh provides good policy support for growth of
software and ITES sector, particularly with a view to promote the export of the
services. In the recent National Export Policy (2006-9), the Government has
declared Software as one of the six’high priority’ export sectors for the economy.
Here are some of the government policy supports for the industry.
a. Tax Holiday: The corporate income tax for the software business has been
kept completely tax free.
b. Investment & Financing Support: In the 2009-2010 budget, the government
has allocated Tk. 200 crore as equity financing support for the local software
and ITES companies. The Export Promotion Bureau (EPB) also provides
working capital loan to software exporting companies against export orders
at a very concessional rate. To attract foreign investment in the sector, the
government has allowed 100% ownership in the sector and full profit
repatriation for the investors.

ICT as Business Sector

Though the current size of Bangladesh IT Industry and software/ITES industry
in particular is still lot smaller compared to the
overall economy and the number of
population (over 140 million), over the last few years the industry has grown
considerably and is expected to grow at that rate for

Digitalized Education sector.


To address the challenges of the 21st century where a labourer from Bangladesh
competes with one from Sri Lanka for a job in Malaysia, our country’s education
system must re-invent itself to produce
21st century skills and 21st century
confidence. The curriculum must incorporate material to develop the requisite
skills; the teaching methods must embrace collaboration and creative problem
solving for the locality; the system of assessment must